আদৌ বৈধ ২০১১ থেকে ইস্যু হওয়া কাস্ট সার্টিফিকেট? যাচাইয়ের নির্দেশ নয়া মুখ্যমন্ত্রীর

Published on: May 16, 2026
West Bengal Cast Certificate issued from 2011 is under scrutiny

রাজ্য সরকার প্রদত্ত জাতিগত শংসাপত্র নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ল। ২০১১ সাল থেকে প্রায় ১ কোটি ৬৯ লক্ষ জাতিগত শংসাপত্র (Cast Certificate) ইস্যু করা হয়েছে। সেগুলিকে ফের একবার যাচাইয়ের জন্য নির্দেশ দিল সরকার। ভোটের পর ক্ষমতা বদল হতেই বিগত সরকারের উপর একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

পুনর্যাচাইয়ের নির্দেশ ১ কোটি ৬৯ লক্ষ জাতিগত শংসাপত্রের

শুক্রবারই এই মর্মে রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ দপ্তরের সচিব সঞ্জয় বনসল সমস্ত জেলা ডিএমদের চিঠি পাঠিয়েচেন। ২০১১ সালের পর থেকেই রাজ্যে এপর্যন্ত ১ কোটি ৪৮ লক্ষ OBC এবং ২১ লক্ষ তফসিলি উপজাতি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ এক্ষেত্রে সঠিকভাবে যাচাই না করেই শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ করে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মাধ্যমে দেওয়া ৪৭.৮০ লক্ষ কাস্ট সার্টিফিকেট কঠোরভাবে যাচাই করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি এই সার্টিফিকেট হোল্ডারদের সন্তান অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রজন্মের ক্ষেত্রেও যাচাই করা হবে।

যদি যাচাইয়ের সময় কোনোরকম বেনিয়ম সামনে আসে তাহলে ওয়েস্ট বেঙ্গল সচিডিউল্ড কাস্টস অ্যান্ড শিডিউল্ড ট্রাইব্স (আইডেন্টিফিকেশন ) অ্যাক্ট, ১৯৯৪ এর ১০ নং ধারা অনুযায়ী সার্টিফিকেট বাতিল থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে জেলাশাসকের। এমনটাই নির্দেশ জারি করা হয়েছে নয়া বিজেপি সরকারের তরফ থেকে। জেনে রাখা ভালো, মহকুমাসহক ও জেলা কল্যাণ দফতরের আধিকারিকদের উপরে স্ক্রুটিনির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

যে সমস্ত লোকের নাম স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা SIR এ বাদ গিয়েছে তাদের স্ক্রুটিনিও করা হবে। আপনার কাস্ট সার্টিফিকেট যদি ২০১১ সালে বা তারপর ইস্যু হয়ে থাকে তাহলে সেটিকে নিজেও চেক করে নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে ওয়েস্ট বেঙ্গল কাস্ট সার্টিফিকেট পোর্টালে গিয়ে সেটিকে ভেরিফাই করে নিতে হবে।